তিন বছরেও আওয়ামীলীগের হামলার বিচার পাননি যুবদল নেতা ফিরোজ

স্টাফ রিপোর্টার।।
তিন বছরেও আওয়ামী লীগের হামলার বিচার পাননি লালমাই উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফিরোজ মিয়া। তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২০২৩ সালের ২৬ এ আগস্ট মফিজুল ইসলাম খন্দকারের বাড়িতে এ হামলা করে।

যুবদল নেতা ফিরোজ মিয়া জানান, আমরা বিএনপির বর্ধিত সভা আয়োজন করি। বিকালে অনুষ্ঠান হবে প্রধান অতিথি ছিলেন মনিরুল হক চৌধুরী। তাদের টার্গেট ছিলো আমাকে হত্যা করা। সেদিন তারা শুধু হামলা করেই ক্ষান্ত হয়নি। পুলিশ দিয়েও হয়রানি করে। ব্যবসা বাণিজ্য করতে দেয়নি। তিন বছর হয়েগেছে, আমি কোন বিচার পাইনি৷ সে সময় আমাকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন বর্তমান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, কুমিল্লা ১০ আসনের বর্তমান এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, সাবেক এমপি আব্দুল গফুর ভূঁইয়া সহ অনেকে।

লালমাই উপজেলার বেলঘর উত্তর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী রাহাদ হোসেন জানান, যুবদল নেতা ফিরোজ মিয়া একজন মানবিক মানুষ। তিনি প্রতি ঈদে হাজার মানুষের মধ্যে ঈদ উপহার দিয়ে থাকেন। করোনাকালীন সময়ে তিনি ঘরেঘরে মানুষকে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন। ফ্যাসিস্ট আমলে আন্দোলন সংগ্রহ, বিএনপির যে কোন কর্মসূচী বাস্তবায়নে তিনি অগ্রসেনানী ছিলেন।

তিনি যেমন কর্মীবান্ধন, তারচেয়েও বেশী একজন জনবান্ধন নেতা। আমরা চাই, আওয়ামী লীগের হামলার বিচার তিনি পাবেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার এ ত্যাগকে যথাযথ মূল্যায়ন করবেন।