ডেস্ক রিপোর্ট।।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে আটক শিক্ষককে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নিরাপদে বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাতে এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানান তিনি।
ফেসবুকে এক পোস্টে মাহদী আমিন লেখেন, কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে শ্রেণিকক্ষে এক স্কুল শিক্ষকের কটূক্তি ও আপত্তিকর মন্তব্য কেন্দ্র করে স্থানীয় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও অধিবাসীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে তাদের বিক্ষোভের পর পুলিশ ওই শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
তিনি বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে প্রধানমন্ত্রী সংক্ষুব্ধ হন এবং সংশ্লিষ্ট থানাকে নির্দেশ দেন, শিক্ষককে সসম্মানে ছেড়ে দিয়ে নিরাপদে তার বাসায় পৌঁছে দিতে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পরবর্তীতে পুলিশ তাকে নিরাপদে বাসায় পৌঁছে দেয়।
তিনি আরও লেখেন, প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, মতের ভিন্নতা থাকতেই পারে; প্রত্যেক মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ও মতামত তার নিজস্ব। কারও মতের সঙ্গে একমত না হলেও তার মতপ্রকাশের অধিকারকে সম্মান করা উচিত। ভিন্নমত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি এই সম্মানই গণতন্ত্রের শক্তি। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন, ইতিবাচক আচরণ, পারস্পরিক সম্মান ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি সমাজকে শক্তিশালী করবে।
প্রসঙ্গত, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে শ্রেণিকক্ষে কটূক্তি ও আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে প্রাগপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া লালনকে আটক করে পুলিশ। পরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।