জাতীয় সংগীতের বিতর্কিত ব্যবহার, পরীমনির বিরুদ্ধে কী শাস্তির বিধান রয়েছে?

ডেস্ক রিপোর্ট।।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত যুক্ত করে আপত্তিকর স্ট্যাটাস দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঢালিউড চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জাতীয় সংগীতের অবমাননা ও এর বিতর্কিত ব্যবহার নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মামলায় ঢাকার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান পরীমনি। ওই দিন রাতেই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আপত্তিকর ও অশোভন শব্দ ব্যবহার করে একটি স্ট্যাটাস দেন তিনি। স্ট্যাটাসটির সঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত যুক্ত করা হয় বলে জানিয়েছে সময় নিউজ।

এর আগে আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিক ও বিচারপ্রার্থীদের সঙ্গে পরীমনির দেহরক্ষীদের অসদাচরণের অভিযোগও সামনে আসে। তাঁদের একজন বিচারপ্রার্থীকে মারধরে মাথা ফেটে যাওয়ার অভিযোগ করেন।

জাতীয় সংগীতের অবমাননা বা এর গাম্ভীর্য ও সম্মান নষ্ট করার বিষয়ে জজ কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী হামিদ খান বলেন, এ ধরনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হতে পারে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৪ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংগীতের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। তবে শাস্তির বিধান রয়েছে ‘দ্য বাংলাদেশ ন্যাশনাল অ্যান্থেম, ফ্ল্যাগ অ্যান্ড এমব্লেম অর্ডার, ১৯৭২’-এ। সময় নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১০ সালের সংশোধনের পর জাতীয় সংগীত, পতাকা বা প্রতীকের বিধান লঙ্ঘন কিংবা অবমাননার দায়ে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

তবে পরীমনির বিরুদ্ধে এ ঘটনায় কোনো মামলা বা আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে কিছু জানানো হয়নি।

সূত্র: সময় নিউজ