রাহাদুল ইসলাম সুজন, কুবি।।
লিগ্যাল টেক হ্যাকাথন ২০২৬-এর জাতীয় পর্যায়ে প্রথম রানার-আপ হয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আন্তঃবিভাগীয় দল CoU JusticeLab। বাংলাদেশের ১৯০টিরও বেশি দলের অংশগ্রহণের মধ্য থেকে সেরা ১০টি দলের তালিকায় জায়গা করে নিয়ে ফাইনালিস্ট পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করে দলটি। পরে গ্র্যান্ড ফিনালেতে প্রথম রানার-আপ হওয়ার সাফল্য অর্জন করে।
লিগ্যাল টেক হ্যাকাথন ২০২৬ ছিল আইন, প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও উদ্ভাবনী চিন্তার সমন্বয়ে আইনি সহায়তা সেবাকে আরও সহজলভ্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকর করার লক্ষ্যে আয়োজিত একটি জাতীয় পর্যায়ের উদ্যোগ।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিযোগিতাটির ক্যাম্পাস পর্ব অনুষ্ঠিত হয় ৩ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত। এ পর্বে শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতার চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে ধারণা নেওয়া, দল গঠন এবং উদ্ভাবনী ধারণা তৈরির সুযোগ পান।
কুবির প্রতিনিধিত্বকারী CoU JusticeLab দলে ছিলেন ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের সাখাওয়াত হোসেন ও সারওয়ার ইসলাম, আইন বিভাগের হাসিন ইশরাক মিরাজ ও কানিজ ফাতেমা রিমি এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শামীম হাসাব।
প্রতিযোগিতার প্রথম ধাপে সেরা ১০টি ফাইনালিস্ট দল নির্বাচিত হয়। সেখানে প্রথম স্থান অর্জন করে CoU JusticeLab। এরপর নির্বাচিত ১০টি দলকে নিয়ে অনুষ্ঠিত গ্র্যান্ড ফিনালেতে প্রথম রানার-আপ হয় দলটি।
দলের সদস্য কানিজ ফাতেমা রিমি বলেন, ‘ন্যাশনাল লিগ্যাল টেক হ্যাকাথনটি খুবই চমৎকার ও বড় একটি আয়োজন ছিল। এতে সারা বাংলাদেশের পাবলিক, প্রাইভেট ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ২০০টি দল অংশ নেয়। প্রথম রাউন্ডে সেরা ১০ ফাইনালিস্টের মধ্যে আমরা প্রথম হই। পরবর্তী সময়ে গ্র্যান্ড ফিনালেতে প্রথম রানার-আপ হওয়ার সুযোগ পাই। এতগুলো দলকে পেছনে ফেলে পুরো বাংলাদেশের মধ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে দ্বিতীয় স্থানে নিয়ে আসতে পারা সত্যিই গর্বের। আমাদের পরিশ্রমকে সফলতায় নিয়ে আসতে পেরে আমরা ভীষণ খুশি।’
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ক্যাম্পাস পর্যায়ের কার্যক্রমের আয়োজন ও সমন্বয় করেন ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর মো. এনায়েত হোসেন। এ সময় স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন মহিউদ্দিন।